আগের রাউন্ডে করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে ইমরুল কায়েস থামলেন ৯৩ রানে। তবে নিজেদের মাঠে প্রথম টায়ারের ম্যাচে দ্বিতীয় দিন শেষে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে লিড নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে ইমরুলের দল খুলনা বিভাগ।
অন্যদিকে প্রথম টায়ারের অন্য ম্যাচে ঢাকার রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে রংপুর বিভাগ। এম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ঢাকার সাইফ হাসান। ২২০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
ম্যাচ: রাজশাহী বিভাগ-খুলনা বিভাগ
ভেন্যু: শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা
আগের দিন রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ২৬১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরই দিনের খেলা শেষ ঘোষণা হয়েছিল। শুক্রবার নতুন দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংস শুরু করে আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বোধীন খুলনা বিভাগ। হতাশ করেন ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে ফেরা সৌম্য সরকার। ৫ বল খেলে ফেরেন শূন্য রানে। তবে ইমরুল কায়েস খেলেন ৯৩ রানের ইনিংস। ১৯০ বলে ১০ চারে নিজের ইনিংস সাজান। তুষার ইমরানের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ রান। তাতে ৬ উইকেটে ২২৭ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছে খুলনা। প্রথম ইনিংসে আর ৩৪ রানে পিছিয়ে দলটি। নুরুল হাসান সোহান ৩৫ ও আব্দুর রাজ্জাক ৭ রানে অপরাজিত আছেন। রাজশাহীর পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম ও তাইজুল ইসলাম।
ম্যাচ: ঢাকা বিভাগ-রংপুর বিভাগ
ভেন্যু: জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম
আগের দিন সেঞ্চুরি করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছিলেন সাইফ হাসান। তখন তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল ১২০ রান। এদিন আবার ব্যাট করতে নেমে আরো ঠিক ১০০ রান করেছেন। তার ২২০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ৫৫৬ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা বিভাগ। আগের দিনের ৪ উইকেটে ৩১৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা দলটির পক্ষে এদিন ফিফটির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাদিফ চৌধুরী। ৬১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আগের দিন ফিফটি করেছিলেন রনি তালুকদার ও রকিবুল হাসান। রংপুরের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী ও সঞ্জিত সাহা। রংপুর ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেটে ৭২ রানে দিন শেষ করেছে। তবে প্রাপ্তি বলতে লিটন সাদের ফিফটি। ৬৪ বলে ৮ চারে ৫১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেনে তিনি। অন্য প্রান্তে নাঈম ইসলাম অপরাজিত ৮ রানে। ঢাকার পক্ষে ২টি উইকেটই নিয়েছেন সালাউদ্দিন শাকিল।