কিশোরী মেয়েকে উত্ত্যক্ত করায় এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শরীয়তপুরে ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড়নওগাঁ ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয় মো. মামুন বেপারীর (২২)। এরপর এই অভিযোগ উঠেছে।
বলা হচ্ছে, মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মামুন বেপারীকে ছুরিকাঘাত করেন সাহেব আলী মাল।
নিহত মামুন বেপারী ওই গ্রামের জলিল বেপারীর ছেলে।
এ ঘটনায় সাহেব আলী মাল (৩৮) ও তার ভাই বিল্লাল মালকে (১৯) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড়নওগাঁ গ্রামের সাহেব আলী মালের মেয়ে সম্পা আক্তারকে (১৪) দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করতেন একই গ্রামের জলিল বেপারীর ছেলে মামুন বেপারী।
সোমবার বিকেলে সম্পা বাড়ির ঘাটায় গেলে মামুন আবার কুপ্রস্তাব দেন। সম্পা তার বাবা সাহেব আলীর কাছে বিষয়টি জানান। সাহেব আলি মামুনের বাড়িতে গিয়ে এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে দুজনের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে সাহেব আলী মামুন বেপারীকে পেটে ছুরিকাঘাত করে আহত করেন। মামুন আহত অবস্থায় ঘর থেকে দা এনে সাহেব আলী মাল ও তার ভাই বিল্লাল মালকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মামুনকে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সাহেব আলী ও তার ভাই বিল্লালকে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফাতেমা মাহজাবিন বলেন, শরীরে ক্ষত অবস্থায় রোগীটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরীক্ষা করে দেখি হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ডামুড্যা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান মোবাইল ফোনে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।