লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিয়ের কথা বলে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ডেকে নিয়ে রাতভর দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৫ বখাটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভাদুর গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন জনকে আটক করেছে।
মুমূর্ষু অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে রামগঞ্জ ও পরে অবস্থার অবনতি হলে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আটকরা হলেন- মো. ইমন, মো. রাসেল ও মো. শরীফ। তারা সবাই একই ইউনিয়নের পশ্চিম ভাদুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নোয়াপাড়া গ্রামের ওই কিশোরীর বাবা-মা কয়েক বছর পূর্বেই পৃথক বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। বাড়িতে কিশোরী একাই বাস করতেন। এ সুযোগে কিছুদিন পূর্বে পার্শ্ববর্তী ভাদুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভাদুর গ্রামের মো. ইব্রাহিমের ছেলে মো. শাওন ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
ঘটনার দিন রাতে বিয়ে করবে বলে কিশোরীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শাওন পশ্চিম ভাদুর গ্রামে তার বন্ধু ইমনের বাড়িতে নিয়ে যায়।
রাতে ওই বাড়িতেই আরও তিন বন্ধু এসে ৫ জন মিলে রাতভর কিশোরীকে ধর্ষণ করে।
সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে মুমূর্ষু অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে শাওনসহ দুজন পলাতক রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর শারীরিক অবস্থার কথা বলা যাবে।
এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত শাওনসহ বাকি দুজনকে আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।