অভিষেকেই লেগ স্পিনার রিশাদের বাজিমাত

জাতীয় লিগে লেগ স্পিনার খেলানো নিয়ে হইচই কম হয়নি। দ্বিতীয় রাউন্ডে একাদশে লেগ স্পিনার না রাখায় দুই দলের কোচকে বরখাস্তও পর্যন্ত হতে হয়। এমন পরিস্থিতির মাঝে শনিবার শুরু জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডে বাজিমাত করেছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

রংপুর বিভাগের হয়ে এদিন জাতীয় লিগে অভিষেক হয়েছে রিশাদের। সুযোগ পেয়েই রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে নিয়েছেন ৫ উইকেট।

জাতীয় লিগে অভিষেক হলেও রিশাদের এটি ছিল দ্বিতীয় ফার্স্টক্লাস ম্যাচ। এ মাসের শুরুতেই শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে নিজের প্রথম ফার্স্টক্লাসটি খেলেন তিনি।

কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত প্রথম স্তরের ম্যাচটিতে রিশাদের বোলিং তোপে মাত্র ২০১ রানেই প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায় রাজশাহীর। রিশাদ ফিরিয়েছেন মিজানুর রহমান, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাব্বির রহমান, সানজামুল ইসলাম ও ফরহাদ হোসেনকে।

রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন অধিনায়ক ফরহাদ হোসেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। রংপুরের পক্ষে রিশাদের ৫ উইকেট ছাড়াও ২টি করে উইকেট পেয়েছেন অধিনায়ক সাজেদুল ইসলাম ও সোহরাওয়ার্দী শুভ।

রংপুর ব্যাট করতে নেমে অবশ্য ১২ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে ২ উইকেটে ৩০ রান তুলে দিন শেষ করেছে দলটি। মেহেদী মারুফ ১৯ ও নাঈম ইসলাম ৬ রানে অপরাজিত আছেন। রাজশাহীর পক্ষে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম ও দেলোয়ার হোসেন।

প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে দিনটা নিজেদের করেছে খুলনা বিভাগ। এনামুল হক বিজয়ের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ২৯০ রানে দিন শেষ করেছে দলটি। বিজয় ১১২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তুষার ইমরান ৫৫ ও মোহাম্মদ মিঠুন ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। মেহেদী হাসান মিরাজ অপরাজিত আছেন ৩০ রানে।

এদিকে দ্বিতীয় স্তরের দুটি ম্যাচেই ছিল বৃষ্টির বাগড়া। রাজশাহীতে চট্টগ্রাম বিভাগ ও সিলেট বিভাগের মধ্যকার ম্যাচে টসই হতে পারেনি। বগুড়ায় বরিশাল বিভাগ ও ঢাকা মেট্রোর ম্যাচেও ছিল একই চিত্র।