সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেছেন, চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকারের কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থাপনা শিল্প। শিল্পের এই মাধ্যমটিতে তিনি পথিকৃৎ। গতকাল মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এ শিল্পীর প্রয়াণে স্মরণসভায় তিনি এসব বলেন।
রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন কালিদাসের সঙ্গে আমার পরিচয়। পরে কালিদাসের অনেক কাজ দেখেছি। আমরা শহীদ মিনারে বক্তব্য দিয়েছি, কালিদাস ছবি অঁাকছে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।’
অনুষ্ঠানে শিল্পী হাশেম খান বলেন, ‘আমার শিক্ষকতা জীবনে চারুকলার প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিল কালিদাস কর্মকার। আমার জীবনে আমি কালিকে ছাত্র হিসেবে পেয়েছি না কালি আমাকে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছে এটা আমার কাছে একটি ভাববার বিষয়। কালিদাস আমার চেয়ে বয়সে খুব বেশি ছোট ছিল না। হয়তো দুই বা তিন ব্যাচের ব্যবধান। কালির সম্মানবোধের জায়গা থেকে আমাকে ভাই না বলে স্যার বলেই সম্বোধন করত।’
শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ওয়ালিউর রহমান, শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস ও চারুশিল্পী সংসদের সহসভাপতি শিল্পী জাহিদ মুস্তফা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কালিদাস কর্মকারের ছোট মেয়ে কেয়া কর্মকারও উপস্থিত ছিলেন।