মোহাম্মদ আশরাফুল ২০১৩ সালে ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করার পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ পড়ে যান। সাকিব আল হাসানের ক্ষেত্রে কী হবে?
এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হলেও সাকিবের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্তে এখনই পৌঁছাচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সাকিবের শাস্তি কমানোর ব্যাপারে আইসিসির কাছে যাওয়া যায় কি না সেই বিষয়েও উদ্যোগী হতে চান তারা।
গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন জানালেন, ‘অনেকে জানতে চাইছেন সাকিবের সঙ্গে চুক্তি আমরা চালিয়ে নিতে পারব কি না কিংবা তা বাতিল করতে পারব কি না।’ এ প্রসঙ্গে কিছু বিষয় নিশ্চিত হতে হবে বোর্ডকে। এমনটা জানিয়েছেন নিজাম উদ্দিন।
এক চিহ্নিত জুয়াড়ি সাকিবের সঙ্গে তিন দফা যোগাযোগ করেছে গত বছর। এমনটা হলে আইসিসির দুর্নীতি দমন কমিশনে (আকসু) জানানোর নিয়ম। নইলে শাস্তি অনিবার্য। সাকিব জানতেন। তবু আকসুকে না জানানোয় পরে তদন্তের মুখোমুখি হন। মঙ্গলবার সাকিবকে আইসিসি দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। এক বছরের স্থগিত আদেশ। তার মানে আগামী বছরের ২৯ অক্টোবর ফিরতে পারবেন ক্রিকেটে।
বিসিবি জানিয়েছে সাকিবের পাশে থাকবে তারা। শাস্তির আদেশে লেখা আছে সাকিব মেনে নেওয়ায় এর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন না। বিসিবির কিছু করণীয় আছে কি?
এই প্রশ্নে নিজামউদ্দিন বললেন, ‘বোর্ডের পক্ষ থেকে কিছু করার সুযোগ থাকলে আমরা অবশ্যই করব। তা না করার প্রশ্নই ওঠে না। আজকেই তো হবে না? এটা খতিয়ে দেখতে হবে।’ সিইও বলছিলেন, ‘আমাদের আইনি পরামর্শকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আইসিসির আইনি বিভাগের সঙ্গেও কথা বলতে হবে যদি কিছু করা যায়। আরেকটা বিষয় হচ্ছে আমরা কতটুকু কী করতে পারব তা আইসিসির কাছ থেকে জানতে হবে।’
নিষিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাকিব কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ হয়ে গেলেন কি না, এটা তাই এখনই বলতে চাইছে না বিসিবি। ‘এগুলো আমাদের আগে জানতে হবে’Ñ এই কথা বলে নিজাম উদ্দিন বোঝালেন, সাকিবের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়ায় যেতে কিছুটা সময় লাগবে।