র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে এলো মুক্তির নির্দেশ।
এক আদেশে বলা হয়, বিভিন্ন অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে যে সব শিশু দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি শিশু আদালত ছাড়া অন্য যে সব আদালতে বিভিন্ন অপরাধে শিশুদের সাজা দেওয়া হয়েছে, তাদের ছয় মাসের অন্তবর্তী জামিনের আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুদের সাজা দেওয়া কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারিও করেছেন আদালত।
পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মাহমুদ হোসেন তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।
আদালত বলেছেন, কোনো শিশুকে মোবাইল কোর্ট সাজা দিতে পারে না। শিশুরা অপরাধ করলে তাদের বিচার হবে শিশু আদালতে। একদিনের জন্যও কোনো শিশুকে বেআইনিভাবে সাজা দিয়ে আটকে রাখার এখতিয়ার নেই।
গাজীপুর ও যশোরের কিশোর উন্নয়নকেন্দ্র, যেগুলো কিশোরদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবে বহুলভাবে পরিচিত- সেখানে আটক রাখা হয় এই শিশুদের। সরকারিভাবে এগুলোকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র বলা হলেও মূলত কিশোর অপরাধীদের জেলখানা বা সংশোধনকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত বেশি।
মূলত ১৮ বছরের কমবয়সী অপরাধী বা অভিযুক্তদের আটকে রাখার জন্য এই কেন্দ্রগুলো ব্যবহৃত হয়।