নরসিংদীর শিবপুরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক কলেজছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে।
গত শুক্রবার রাতে সৃষ্টিগড় হাজিবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীকে শনিবার বিকেলে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাকিব মিয়া (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শিবপুর থানা পুলিশ জানায়, রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা এক ভ্যানচালকের মেয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে আরিফ মিয়া (২৫) নামে এক যুবক তাকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। আরিফ নিজেকে একটি কোম্পানির মালিক বলে পরিচয় দেয়। চাকরির আশ্বাস দিয়ে তরুণীকে শুক্রবার সকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে বলে সে। সেই মোতাবেক তরুণী শিবপুরের বড়ইতলা এলাকায় স্যামসাং কারখানার সামনে অপেক্ষা করতে থাকে।
এ সময় আরিফ তাকে পণ্য প্রচারের জন্য সেলসম্যান হিসেবে কাজের প্রস্তাব দেন। পরে তরুণীকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে আরিফ ও তার সহযোগী রাকিব সারা দিন কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে।
পরে রাতে হাজিবাগান এলাকার একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আরিফ ও রাকিব তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাতভর নির্যাতন শেষে সকালে জঙ্গলের পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে তাকে আটকে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে ওই ছাত্রী কৌশলে পালিয়ে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শিবপুর মডেল থানায় যায়। পুলিশ তাকে প্রথমে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে বিকেলে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠায়।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করলেও আরিফ পলাতক রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিবপুর মডেল থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সৃষ্টিগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত রাকিবকে আটক করা হয়েছে। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।’