১০০০

২০০৫ সালে প্রথম ম্যাচ। ১৪ বছরেই সহস্র ছুঁয়ে ফেলল টি-টোয়েন্টি। দিল্লিতে গতকালের বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি ছিল সংক্ষিপ্ততম ক্রিকেট ফরম্যাটের ১০০০তম ম্যাচ।

২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি অকল্যান্ডে এ সংস্করণে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই তাসমান প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। খেলতে নেমেই অস্ট্রেলিয়া করেছিল দুশো ছাড়ানো ইনিংস (২১৪/৫, পন্টিং ৯৮*)। আর ১৭০-এ থামা নিউজিল্যান্ড হেরেছিল ৪৪ রানে। তবে এ ম্যাচ নিয়ে ‘উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক’-এ লেখা হয়েছে ‘কোনো দলই ম্যাচটি সিরিয়াসলি নেয়নি।’ 

সে ম্যাচের পর ক্রিকেট মাঠে জল গড়িয়েছে অনেক দূর। টেস্ট ও ওয়ানডের মতো টি-টোয়েন্টিও এখন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারও কারও মতে, আগের দুটি সংস্করণের চেয়ে একটু বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। দর্শক থেকে খেলোয়াড়দের কাছে এ সংস্করণের চাহিদাও ব্যাপক। আর তাই মাত্র ১৪ বছরেই খেলা হলো ১০০০টি টি-টোয়েন্টি।

টেস্ট ক্রিকেটে হাজারতম ম্যাচটি দেখতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১০৭ বছর। ১৮৭৭ সালে প্রথম টেস্টের পর হাজারতম ম্যাচটি গড়িয়েছে ১৯৮৪ সালে হায়দ্রাবাদে (পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড)। ওয়ানডে সংস্করণের যাত্রা শুরু ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে। এ সংস্করণে ১০০০তম ম্যাচটি দেখা গেছে ২৪ বছরের মাথায়। ১৯৯৫ সালে নটিংহামে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটি ছিল পুরুষদের ওয়ানডেতে হাজারতম ম্যাচ।

দিল্লিতে গতরাতের ম্যাচের আগে ৯৯৯টি টি-টোয়েন্টির ৮৯টিতে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। এর মধ্যে ৫৮টিতে হেরেছে বাংলাদেশ, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হার। সবচেয়ে ১২৩ ম্যাচ খেলা শ্রীলঙ্কা হেরেছে ৬১ ম্যাচ। সবচে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলেছে পাকিস্তান, ১৪৭টি। তারা জিতেছেও বেশি, ৯০টি।