টি-টোয়েন্টি দিয়েই আন্তর্জাতিক আঙিনায় পা রেখেছিলেন। ২০১০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক। গতকাল সেই পাকিস্তানের বিপক্ষে আবার যখন খেললেন স্টিভেন স্মিথ, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ম্যাচ খেলা হলো মাত্র ৩৫টি। এর ২০টি তিনি খেলেছিলেন ২০১১ পর্যন্ত। স্মিথ টেস্ট খেলোয়াড় হওয়ার পর এই ফরম্যাটে খেলার সুযোগই হয় না।
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরে আসা বিশ্বকাপে। এরপর অ্যাশেজ পুনরুত্থান পর্ব। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাই সাবেক অধিনায়ককে ভালোভাবে ক্রিকেটে ফিরতে নানা সুযোগ করে দিচ্ছেন। তারই অংশ তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সেখানেও ব্যাটের সুযোগ হচ্ছে কম। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ৩ আর পাকিস্তানের সঙ্গে গতকাল পর্যন্ত ২ ম্যাচ মিলিয়ে ব্যাট করার সুযোগ হলো ৩টিতে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ফিফটি দিয়ে দলকে ৭ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। এবং এই প্রথম এই ফরম্যাটে ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচসেরা হলেন তিনি। এর আগে একবার উইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন স্মিথ। ক্যানবেরায় পাকিস্তানের দেওয়া ১৫১ রানের টার্গেটে পৌঁছাতে স্মিথ একাই করেছেন অপরাজিত ৮০ (৫১ বলে, ১১ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কা)। দলের ৪৮ রানে ২ উইকেট হারায় অজিরা। ওয়ার্নার ২০ এবং ফিঞ্চ ১৭ রান করেন। ম্যাকডারমট ২১ করে ফিরলে অ্যাস্টন টার্নারকে (৮*) সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান স্মিথ। ক্যারিয়ারে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ফিফটি করা স্মিথ ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে জয় এনে দিতে পেরে ভালো লাগছে। আমি মনে করি বোলাররা জয়ের পথটা আগে তৈরি করে দিয়েছে। এটা ছিল ১৭০ রানের উইকেট। তারা (বোলাররা) ভালো বল করেছে। তারপর বাকি ছিল শুধু (টার্গেটের) রান তোলা যা আজ (মঙ্গলবার) আমি করতে পেরেছি।’
তার আগে অধিনায়ক বাবর আজমের টানা দ্বিতীয় ফিফটি (৫০) এবং শেষ দিকে ইফতিখার আহম্মেদের ৩৪ বলে অপরাজিত ৬২ রানে দেড়শ রান তোলে পাকিস্তান। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শুক্রবার পার্থে। বৃষ্টিতে প্রথম ম্যাচ বাতিল হওয়ায় ২ ম্যাচ শেষে এখন ১-০তে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া।