বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকার নামাজে জানাজা বাদ যোহর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের লাখো জনতা।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সাদেক হোসেন খোকার শেষ আকুতি ছিল দেশে ফেরার। তিনি ফিরলেন, তবে কফিনে জড়িয়ে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে দেশে খোকার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে এই মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে তার লাশ গ্রহণ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ দলের নেতাকর্মীরা।
বিকেল ৩টায় অবিভক্ত ঢাকা সিটির সাবেক মেয়রের মরদেহ এই ঢাকা (দক্ষিণ) সিটি করপোরেশনে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে মরদেহ তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হবে।
বাদ আছর মরদেহ নিজ বাসভবন থেকে ধূপখোলা মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে মা-বাবার পাশে দাফন করা হবে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে।
স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিট) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের বিশেষায়িত হাসপাতাল মেমোরিয়াল স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে মারা যান চিকিৎসাধীন সাদেক হোসেন খোকা (৬৭)।