জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন দেশ রূপান্তরের সুদীপ্ত

একসঙ্গে দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে সরকার। ৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপণে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মোট ২৮টি বিভাগে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জান্নাত’ সিনেমার জন্য সুদীপ্ত সাইদ খান পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ কাহিনিকারের পুরস্কার। সুদীপ্ত পেশাগতভাবে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার অনলাইন বিভাগে সাব এডিটর হিসেবে কর্মরত আছেন।

পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে সুদীপ্ত বলেন, ‘এই পুরস্কার প্রাপ্তি তো অবশ্যই আনন্দের। প্রথমবার সিনেমার জন্য কাহিনি লিখেছি, প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাব, ভাবিনি। এই পুরস্কার প্রাপ্তি আমার কর্মযাত্রায় অবশ্যই অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

সুদীপ্ত সাইদ খান মূলত কবি। জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ফুলকোচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম আব্দুল মান্নান খান, মায়ের নাম মনোয়ারা বেগম। লেখালেখির শুরু প্রথম শ্রেণিতে পড়াকালীন, ১৯৯৫ সালে। শুরুতে ছড়া লিখলেও পরে কবিতা লেখা শুরু করেন। ২০১১ সালে বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্পের তৃতীয় ব্যাচে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন তিনি।

তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দুটি ।  শিশু কিশোর বিষয়ক কবিতার বই ‘রূপসী’ প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। ১০ বছর বিরতি নিয়ে ২০১৬ সালে প্রকাশ করেন তার দ্বিতীয় বই, কাব্যগ্রন্থ ‘মাতাল আত্মপাঠ’।

কবিতা চর্চার পাশাপাশি তিনি লিটল ম্যাগ আন্দোলনের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। ‘লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ’ এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের সম্পাদনায় ‘নৈর্ব্যক্তিক’ নামে একটি লিটলম্যাগ সম্পাদনাও করেছেন।

পেশাগত জীবনে সুদীপ্ত সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক-পাক্ষিক ম্যাগাজিন ও নিউজ পোর্টালে সাংবাদিকতা করে বর্তমানে দৈনিক ‘দেশ রূপান্তর’ পত্রিকায় সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।