বাতাস ও পানির চাপ বাড়লে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার চিন্তা

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণায় সিডর বিধ্বস্ত বাগেরহাটের উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলার মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নে বগী এলাকায় বেড়িবাঁধের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অন্তত আট সহস্রাধিক মানুষ।

তবে ঝুঁকি থাকলেও আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা অনেকের। স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘর ফেলে সবাই যাবেন না। রাতে বাতাস ও পানির চাপ বাড়লে তখন প্রয়োজন হলে আশ্রয়কেন্দ্রে যাবেন তারা।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি থেমে থেমে বাড়ছে। সঙ্গে মৃদু ঝোড়ো হাওয়া বইছে। নদ-নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়েছে। সকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। স্বউদ্যোগে যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আসেনি সন্ধ্যা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের সরিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করছে প্রশাসন।

স্থানীয়রা বলছেন, মাঝে মাঝে বৃষ্টি বাড়ছে। আবার থামছে। কিছুটা গুমোট আবহাওয়া। যা সুপার সাইক্লোন সিডরের মতো প্রচণ্ড ঝড়ের লক্ষণ।

এদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) থেকে পাওয়া তথ্যমতে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার ২৩২ আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। দুপুরের পর থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে মানুষ আসতে শুরু করে। তবে অনেকেরই নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে অনীহা রয়েছে। তাদের বুঝিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোসহ সতর্কতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।