অপহরণের পর এক স্কুল ছাত্রীকে ৮ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের উল্যাবাজার এলাকা থেকে সোমবার সকালে প্রিন্স মিয়া (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। এসময় অপহৃত ওই স্কুল ছাত্রীকেও (১৩) উদ্ধার করা হয়।
প্রিন্স মিয়া সাঘাটার বোনারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম রাঘবপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। প্রিন্স ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক এবং অপহৃত স্কুল ছাত্রী বোনারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে প্রতিবেশি ওই স্কুল ছাত্রীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিজের ইজিবাইকে তুলে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যান প্রিন্স মিয়া। বাড়ি না ফেরায় ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবারের লোকজন বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি।
পরে রবিবার সকালে ওই স্কুল ছাত্রী প্রিন্স মিয়ার মোবাইল ফোন থেকে তার মায়ের মোবাইল ফোনে কল করে ঘটনাটি জানান। ওইদিনই স্কুল ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে জানালে অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে সোমবার সকালে উল্যাবাজার এলাকায় ওয়াহেদুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রিন্স মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় ও অপহৃত ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই স্কুল ছাত্রীর মা।
এ বিষয়ে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এনায়েত কবির বলেন, অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে গাইবান্ধা আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে। স্কুল ছাত্রীটি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেওয়ায় প্রিন্স মিয়াকে রিমাণ্ডে নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও জানান এই কর্মকর্তা।