উদ্বোধনের ৪ বছর পর চালু চবির জননেত্রী শেখ হাসিনা হল

উদ্বোধনের চার বছর পর চালু করা হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের আবাসিক কার্যক্রম।

মঙ্গলবার হলটির আবাসিক কার্যক্রম চালু করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে হলে সিট বরাদ্দের নোটিশের দীর্ঘ সময় পর চালু হল হলটির আবাসিক কার্যক্রম।

অথচ ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার নামে বেশ ঘটা করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আবাসিক কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, বহু প্রতীক্ষিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নামে চবি জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের আবাসিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। এ হলে যারা আসন পেয়েছে তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। হলের আবাসিক কার্যক্রম উদ্বোধনের ফলে আমাদের প্রাণপ্রিয় ছাত্রীদের আবাসিক সমস্যা কিছুটা হলেও নিরসন হবে।

হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে এসময় চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টর, অফিস প্রধানেরা এবং হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ও আবাসিক ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ছাত্রীদের জন্য ৫০০ আসন বিশিষ্ট প্রায় ৯৮ হাজার ৫০০ বর্গফুটের চার তলা বিশিষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনা হলটিরও উদ্ধোধন করা হয়। হলটিতে দুটি লিফট, দুই হাজার বর্গফুটের পাঠাগার, কমন রুম, লন্ড্রি, ইনডোর গেমসের সুবিধা, ছাত্রীদের জন্য রান্নাঘর ও প্রার্থনা কক্ষসহ সকল আধুনিক সুবিধা রাখা হয়। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৫ কোটি ৭৫ লাখ ২ হাজার টাকা। তবে উদ্বোধনের পরেও ছাত্রীদের জন্য সিট বরাদ্দ না দিয়ে দেড় বছর পর ২০১৭ সালের মে থেকে এর ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে। এতে চারতলা বিশিষ্ট হলটিকে ৭৫০ আসন বিশিষ্ট ছয় তলা ভবন তৈরী শুরু হয়। ফলে এর মোট আয়তন হবে প্রায় ১২ হাজার ৭০০ বর্গ মিটার। ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৬ কোটি ৫০ লাখ ৩৫  হাজার টাকা।