উপজেলা আনসার কর্মকর্তাসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে দলনেত্রীর মামলা

ইউনিয়ন আনসার দলনেত্রীকে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে জয়পুরহাট পাঁচবিবি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কামরুল হাসানসহ ১৩জন আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়ন আনসার দলনেত্রী মুর্শিদা বেগম বাদী হয়ে জয়পুরহাট বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি করেন। মামলাটি জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এম.এ.রব হাওলাদার সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আসামীরা হলেন- পাঁচবিবি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কামরুল হাসান (৩১), আনসার সদস্য শকিমুদ্দিন সরদার (৫০), নাসির উদ্দীন (৪৯), ইমরান (২৭), রমজান আলী (৫৫), মোছা. রাবেয়া (২৯), নূরুল ইসলাম (৪৫), মোছা. রত্না (৩৮), মোছা. আনোয়ারা (৩০), আবেদ আলী (৩২), সমসের (৪০), রেজুয়ান (৩৫) ও ওয়াজেদ আলী (২৯)।

ইউনিয়ন আনসার দলনেত্রী মুর্শিদার মামলার বিষয়টি এ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পাঁচবিবি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কামরুল হাসান অর্থের বিনিময়ে জাতীয় পরিচয়পত্রে কৌশলে বয়স কম দেখিয়ে পছন্দের বেশ কয়েকজনকে নিয়ম বহীর্ভূত ভাবে ইউনিয়ন কমান্ডার ও সহকারি কমান্ডার পদে ৩ নভেম্বর নিয়োগ প্রদান করেন। এতে আনসার দলনেত্রী মুর্শিদা বেগম প্রতিবাদ করলে কামরুল হাসানের নিরদেশে অন্য আনসার সদস্যরা ইউপি দলনেত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন অন্যায়, অত্যাচারের পাশাপাশি মানসিক নির্যাতন চালায়।  

এ পরিস্থিতিতে দলনেত্রী তাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে গত ৮ নভেম্বর জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ওই দলনেত্রীর উপর ক্ষীপ্ত হয়। এর জের ধরে গত ৯ নভেম্বর বিকেলে দলনেত্রী মুর্শিদা বেগরে বাড়িতে গিয়ে তাকে শ্লীলতাহানি, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে লাঞ্ছিত করে অপহরণের চেষ্টা চালায়।