বাজি ধরে সাঁতরাতে গিয়ে দিঘিতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে বন্ধুদের সঙ্গে ২০০ টাকা বাজি ধরে দিঘিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক হৃদয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। বুধবার রাত ৯টায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার বেলা ১১টার দিকে  বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাসাগরে (দিঘি) সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হন ওমর ফারুক হৃদয়।

ওমর ফারুক হৃদয় বরিশাল নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার বাসিন্দা পুলিশ সদস্য মো. শাহ আলমের ছেলে এবং ঢাকার আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হৃদয় তার বন্ধু ও এক বান্ধবীকে নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুর্গাসাগর দিঘি এলাকায় বেড়াতে যায়। এসময় হৃদয় বন্ধুদের সঙ্গে ২০০ টাকার বিনিময়ে সাঁতরে দিঘির মাঝখানে দ্বীপে যাওয়ার বাজি ধরে। পরে তিনি প্যান্ট-শার্ট খুলে লুঙ্গি পড়ে দক্ষিণ পাড় থেকে দ্বীপে যাওয়ার জন্য সাঁতার কাটা শুরু করে। অর্ধেক পথ যাওয়ার পর হৃদয় হাত উঁচিয়ে কিছু একটা বলার কিছুক্ষণের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়। এরপর আর তাকে দেখা যায়নি।

দুর্গাসাগরে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসনের কর্মচারী মো. অলি জানান, সকাল ১১টার দিকে হৃদয়ের বন্ধু ও বান্ধবী এসে তাকে জানান, তাদের সঙ্গে থাকা হৃদয় সাঁতরে দিঘির মাঝখানে উঁচু দ্বীপে যাচ্ছিল। এখন তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পেয়ে অন্যান্য কর্মচারীরা নৌকা নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। কিন্তু তাকে খুঁজে না পেয়ে তারা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুর রহমান মুকুল জানান, ধারণা করা হচ্ছে হৃদয় দিঘির মাঝ বরাবর দ্বীপে পৌঁছার আগেই ডুবে গেছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দীর্ঘক্ষণ সন্ধান চালায়। রাত ৯টার দিকে হৃদয়ের মরদেহ দিঘির পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।