সৌম্যর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ফাইনালে বাংলাদেশ

বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্যের পর ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠলেন সৌম্য সরকার। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পেলেন টানা তিন ফিফটির দেখা। তাতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল ইমার্জিং টিমস কাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে সহজেই হারাল বাংলাদেশ। পেল ফাইনালের টিকিট।

বৃহস্পতিবার আফগানিস্তান ইমার্জিং টিমকে ৭ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ ইমার্জিং টিমস। শনিবার ফাইনালে পাকিস্তান ইমার্জিং দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। যারা বুধবার প্রথম সেমিফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে ৩ রানে।

এদিন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২২৮ রানের পুঁজি গড়ে আফগানরা। দারউইশ রাসুলির ১১৪ রানের ইনিংসের পরও দলটির স্কোর বড় হয়নি। জবাব দিতে নেমে ১০.১ ওভার বাকি থাকতেই মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকেরা। সৌম্য ৬১ ও শান্ত খেলেন ৫৯ রানের ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ ওভারেই বিদায় নিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। দলীয় ২৬ রানে ব্যক্তিগত ১৭ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর সৌম্য ও শান্ত গড়লেন ১০৭ রানের জুটি। সৌম্য ৫৯ বলে ৩টি করে ছক্কা ও চারে খেলেন ৬১ রানের ইনিংস।

সৌম্য ফেরার খানিক পরই বিদায় নেন শান্ত। তার আগেই অবশ্য ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন তিনি। ৬৮ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করেন শান্ত। নেপালের বিপক্ষে আগের ম্যাচে অপরাজিত ৫৯ ও ভারতের বিপক্ষে ৯৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন এই বাঁহাতি।

২৬.২ ওভারে ১৫৪ রানে যখন শান্ত ফিরলেন জয় থেকে তখন ৭৫ রান দূরে বাংলাদেশ। ইয়াসির আলি ও আফিফ হোসেন সেই বাকি কাজটা সেরেছেন ভালোভাবেই। ইয়াসির অপরাজিত ৩৮ ও আফিফ অপরাজিত ৪৫ রান করেন। আফগানদের পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন আব্দুল ওয়াসি।

এর আগে হাসান মাহমুদের বোলিং দাপটে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগান ইমার্জিং দল। তিনটি উইকেটই নেন হাসান। এরপর যোগ দেন তানভির ইসলাম ও সৌম্য। তাতে রাসুলির সেঞ্চুরি সত্ত্বেও খুব বেশি লম্বা হয়নি আফগান ইনিংস।

রাসুলি ১২৮ বলে ৭টি করে চার ও ছক্কায় ১১৪ রান করেন। এ ছাড়া ওয়াহিদউল্লাহ শফিক ৩৪ ও তারিক স্তানিকজাই ৩৩ রান করেন। হাসান মাহমুদ ও সৌম্য সরকার ৩টি করে উইকেট নেন। ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম। ম্যাচসেরা হয়েছেন সৌম্য সরকার।