পটুয়াখালীর বাউফলে নারী ও শিশু নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইনে হাজতবাস করায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক বাউফল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের প্রধান সহকারী হাবিবুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও একই চেয়ারে বহাল থেকে প্রায় চার বছর ধরে দাপ্তরিক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাউফল সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের প্রধান সহকারী (অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক) হাবিবুর রহমান নারী ও শিশু নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইনে করা দুটি ফৌজদারি মামলায় দুই দফায় হাজতবাস করায় চাকরিবিধিমালার বিএসআর পার্ট-১-এর ৭১ ধারা অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর তৎকালীন জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
জেলা প্রশাসকের ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বাউফলের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হোসেন খান ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রধান সহকারী হাবিবুর রহমানকে একই অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সানোয়ার হোসেনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর না করে প্রায় চার বছর ধরে একই চেয়ারে বসে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড রুমের চাবিও তার কাছে থাকে। ভূমি অফিসের কানুনগোর কার্যালয়ের সামনের একটি কক্ষে শুরু থেকেই অদ্যাবধি বসবাস করছেন।
এ ব্যাপারে হাবিবুর রহমান বলেন, আমি অফিস করলেও কোনো দাপ্তরিক কাজকর্ম করছি না।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ফৌজদারি মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামির দাপ্তরিক কাজকর্ম করার কোনো এখতিয়ার নেই।