সরকার জনগণ ও গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে দেশকে এক ভয়াবহ নৈরাজ্যকর অমানিশার মধ্যে নিপতিত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এই অভিযোগ করেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন এবং তার পুত্র ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সাজা বহাল রাখার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তাদের সাজা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি করে, বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে নানাভাবে নির্যাতন-নিপীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে মৃতপ্রায় করে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার আয়োজন শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, নাছির উদ্দিন ও তার পুত্র হেলালের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের সাজা উচ্চ আদালতে বহাল রাখা হয়েছে। সরকারের চক্রান্তই সাজানো মামলায় এই সাজা দেওয়া হয়েছে। যদিও ২০১০ সালে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ দু’জনকে খালাস দেয়। কিন্তু সরকার আপিল করে পুনরায় বিচারের জন্য হাইকোর্টের ফেরত পাঠান। এই ঘটনাতেই প্রমাণিত হয় যে, সরকার বিএনপি নেতাদের ধ্বংস করার জন্য নানাভাবেই চক্রান্ত এঁটে চলেছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থের জন্য মামলা দায়ের করে গণগ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে এবং সাজানো মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে এসব বন্ধ করতে হবে। না হলে সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ জনগণ এজন্য চড়া মাসুল আদায় করে নেবে।