কয়েক দিন আগের কথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রানু মণ্ডলের মেকআপের ছবি। সেখানে তাকে একটু বেখাপ্পায় দেখাচ্ছিল। সুযোগটি হাতছাড়া না করে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য ছুড়ে দেন।
মোটামুটি সবাই তার মেকআপ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় না থাকায় রানুর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন তার মেকআপ আর্টিস্ট।
তিনি সাফ সাফ জানালেন, যে ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি আসলে ভুয়া। আর সেই ছবি দেখিয়েই বিদ্রূপ করা হচ্ছে ‘ভাইরাল সেলিব্রিটি’কে।
রানুর আসল মেকআপের ছবি ও নকলটি পাশাপাশি রেখে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ওই আর্টিস্ট লেখেন, “একটি ছবি যেটিতে রানু মণ্ডলের আসল ছবি, যেখানে মেকআপ আমরা করেছি। আরেকটিতে তার সেই ছবিটিতে কারসাজি করা হয়েছে, পাশাপাশি এই দুটো ছবি দেখে আপনারা সেটা বুঝতেই পারছেন।”
সঙ্গে যোগ করেন, “এই ধরনের মজা–মশকরা করা ভালো। কিন্তু কারোর ভাবাবেগে আঘাত করা কখনই উচিত নয়। আশা করি, আপনারা সবাই বুঝতে পারবেন সত্যিটা কী! কোনটা আসল এবং কোনটা নকল। এটাই আমরা বলতে চাইছি।”
অবশ্য নকল ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই রানুর পক্ষে অনেকে মুখ খোলেন। টুইটারে একজন লেখেন, “রানু মণ্ডলের প্রতিটা বিষয় হাসির নয়। দয়া করে মনে রাখুন কেউ নিজের লুক পরিবর্তন করতে পারেন না, কিন্তু কিছু সময় যুক্তিসম্মত কথা বলা প্রয়োজন এবং কাউকে জাজ করলে সামান্য নমনীয়তাও জরুরি।”
আরেকজন লেখেন, “জানি না কেন প্রত্যেকে রানু মণ্ডলের মেকআপ নিয়ে হাসাহাসি করছেন। এ রকম তো নয় সে ইচ্ছে করে নিজেকে হাসির পাত্র বানিয়েছেন।”
রানাঘাট রেল স্টেশনে রানুর গলায় ‘এক পেয়ার কা নাগমা হ্যায়’-গানটি রেকর্ড করেছিলেন এক পথচারী। ফেসবুকে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়, রানু মণ্ডল পরিচিত হন ‘লতাকণ্ঠী’ নামে। এরপরেই ডাক পান মুম্বাইয়ের রিয়্যালিটি শো-এ। প্লেব্যাকেও সুযোগ পান।