শীত বেড়েছে গাইবান্ধায়

শীত বেড়েছে উত্তরের জেলা গাইবান্ধায়। গত কয়েকদিন ধরেই সকালে দেরিতে সূর্যের দেখা মিলছে। তেমনি বিকেলেই সূর্য ডুবে যাচ্ছে পশ্চিমাকাশে। সূর্যের প্রখর তাপ এখন আর নেই। রাতে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায় আরও বেশি। এ সময় লেপ-তোশকের দোকানিদের ব্যস্ততা বেড়েছে।

রবিবার দুপুরে শহরের কাঁচারি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, তুলা, কাপড়, সুই ও সুতা নিয়ে লেপ তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ধুনকাররা।

তোফাজ্জল হোসেন, মানিক মিয়াসহ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরেই লেপের চাহিদা বেড়ে গেছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ এসে দর কষাকষি করে কিনছেন লেপ। সাড়ে চার কেজি তুলা দিয়ে প্রতিটি লেপ ৯০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

শহরের পুরাতন বাজারে রিকশাচালক সেলিম মিয়া বলেন, শীতের হাত থেকে বাঁচতে কম্বল বের করেছি আরও কয়েকদিন আগে। এখন দিন-দিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। তাই বেশি রাত করে আর রিকশা চালাই না। তাড়াতাড়িই বাড়ি ফিরি। রাতে ভারী কুয়াশার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শীতের হাত থেকে বাঁচতে ইতোমধ্যে প্রত্যেক পরিবারই আলমারিতে তুলে রাখা কম্বল ও লেপ বের করেছেন। সেই সাথে জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলারসহ শীতের পোশাক গায়ে বেড়াতে দেখা গেছে অনেককে। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বাড়ির সামনে ও বাজারে বিক্রি করছেন শীতের ভাপা পিঠা।

সন্ধানী ডোনার ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক নাহিদ হাসান চৌধুরী রিয়াদ বলেন, শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে দুস্থ, অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ। আর তাই এখনই শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করা প্রয়োজন।

এখনো সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়নি জেলার কোথাও। এ বিষয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন শনিবার দুপুরে দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে কম্বল আছে। খুব শীঘ্রই ইউএনওদের মাধ্যমে দুস্থ, গরীব ও অসহায়দের মধ্যে কম্বল বিতরণের কাজ শুরু হবে।