বিপিএল খেলবেন জানেন না গেইল!

সত্যি আজগুবি ব্যাপার। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ক্রিস গেইল খেলবেন অথচ তিনি নিজেই জানেন না ব্যাপারটা। ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বিপিএল। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবার বিশেষভাবে আয়োজন করা হচ্ছে এই টুর্নামেন্ট। কয়েকদিন আগে হয়েছে নিলাম। প্লেয়ার ড্রাফটে নাম দেখে গেইলকে কিনে নেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কিন্তু গেইলের কথা শুনে তাদের মাথায় হাত।

কী বলেছেন গেইল? বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফটে কীভাবে তার নাম এলো সে সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, ‘আমি বিগব্যাশও খেলতে যাচ্ছি না। আমি ঠিকঠাক জানি না সামনে কী ক্রিকেট আসছে। এমনকি আমি এটাও জানি না যে, কীভাবে আমার নাম বিপিএলে এলো। কিন্তু আমি ড্রাফটে একটা দলে (চট্টগ্রাম) আছি। জানি না এটা কীভাবে হলো।’ গেইলের এই মন্তব্য শোনার পরেই নড়েচড়ে বসে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির টিম ডিরেক্টর ও বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘প্রথম সুযোগেই গেইলকে নিয়েছি আমরা। তাকে ঘিরেই সব পরিকল্পনা। সে না এলে তো বড় বিপদে পড়ব আমরা। তার নাম না থাকলে থিসারা পেরেরা বা অন্য কাউকে নিতে পারতাম। এখন তার বদলে ভালো কোনো রিপ্লেসমেন্টও পাব না।’

এমন ডামাডোলের মধ্যে একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে কীভাবে ড্রাফটে নাম এলো গেইলের। বিপিএলের গভর্নিং কমিটি কি গেইলের এজেন্টের সঙ্গে কথা না বলেই তার নাম ড্রাফটে তুলে দেন? এটা কি আদৌ সম্ভব! তাই বিপিএল গভর্নিং কমিটিকে অ্যাকশনে যেতে বলছেন জালাল ইউনুস, ‘তার নাম তো অবশ্যই এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেই রাখা হয়েছে। এখন বিপিএল গভর্নিং কমিটির এটা নিয়ে অ্যাকশনে যাওয়া উচিত। সে যদি নাই খেলে তাহলে কেন তার নাম লিস্টে দিল? বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনও বলেছেন, ‘ড্রাফটে কারও নাম এলে তা তার এজেন্টের মাধ্যমেই আসে। এবং এটার একটা ডকুমেন্টসও থাকে। আমরা এখন এটা যাচাই করে দেখব, সেখানে গেইলের স্বাক্ষর রয়েছে কি না। এরপর বিষয়টা নিয়ে কথা বলব।’

গেইল অবশ্য বিতর্ক উসকে দেওয়ার পর বিশ্রাম নেওয়ার কথা বলেছেন, ‘উইন্ডিজ আমাকে ডেকেছিল ওয়ানডে খেলার জন্য। কিন্তু আমি খেলতে যাচ্ছি না। তারা (নির্বাচক) চায় যেন আমি তরুণদের সঙ্গে খেলি কিন্তু এ বছরটা আমি বিশ্রাম নিতে চাই।’ যে কারণে ডিসেম্বরে শুরু হওয়া বিপিএলে খেলবেন না গেইল। খেলবেন না অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশেও।