নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটিতে জেলার নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় বিএনপির কার্যক্রমের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর দুই দফা শুনানি শেষে জেলা সিনিয়র সহকারী জজ শিউলী রানী দাস এ নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
গত ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলজার খান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নূর আলম শিকদার বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. আবুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে বিবাদী করা হয়।
গোলজার খান ও নূর আলম শিকদার মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিগত সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
মামলার আরজিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটিতে জেলা অধিক্ষেত্রের বিভিন্ন থানা এলাকার লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বঞ্চিত করা হয়েছে মহানগরের নেতাদের। যা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র বিরোধী বলে মামলায় উল্লেখ করে মহানগর বিএনপির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাড. আবুল কালাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, মহানগর বিএনপির কার্যক্রমের ওপর আদালতের অর্ন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার খবর পেয়েছি। আদেশের কপি তোলার পর কমিটি নিয়ে বসে যথাযথ প্রতিকারের উদ্যোগ নেব।
উল্লেখ্য, বিগত ৩০ অক্টোবর সাবেক এমপি অ্যাড. আবুল কালামকে সভাপতি ও এ টি এম কামালকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটি অনুমোদন দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।