কাউন্সিলর তৌফিকের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

গত ৩০ নভেম্বর দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় ‘দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ত্রাস কাউন্সিলর তৌফিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌফিক আহমেদ চৌধুরী। গতকাল রবিবার পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, ‘প্রতিবেদনটি মনগড়া, ভিত্তিহীন। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হলেও কখনো দলীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নিজে জড়িত হইনি। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, জুয়া ইত্যাদি অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিক পালন করেছি।

আমার জানের নিরাপত্তার জন্য সরকার অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে। এ অস্ত্র কখনো বেআইনিভাবে প্রদর্শন করিনি। প্রতিবেদনে আমাকে অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ী, সালিসি বৈঠকে আগ্নেয়াস্ত্র টেবিলে রেখে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা, চাঁদা দাবির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৬ সালের ৫ মে হাটহাজারী সরকারহাট বাজারে দলীয় কর্মী নুরে এলাহী হত্যাকাণ্ডের সাথে আমার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আদালতে পিবিআই চার্জশিট দিলেও পরে ওই ঘটনার অধিকতর তদ‡ন্ত সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পেয়ে আদালতে জমা দিয়েছে ডিবি পুলিশ। বিআরটিএতে আমার একটি ক্যানটিন আছে। সেটি সরকারের অনুমোদিত। বিআরটিএ কার্যালয়ে দরপত্র নিয়ন্ত্রণসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর স্থলপথে সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। মূলত আমি বৈধ ভিসা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলাম। আমার সাথে নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সখ্যের অভিযোগও সঠিক নয়। ৩ বছর আগে অস্ত্র দিয়ে ৫০ জন অনুসারী পাঠিয়ে ছিপাতলী এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাকে নগর ও জেলার অবৈধ অস্ত্রের জোগানদাতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার সত্যতার লেশমাত্র নেই। গত ১১ সেপ্টেম্বর বিআরটিএর অভিযানে কারাদণ্ড পাওয়া পাঁচ দালাল আমার লোক নয়। আর বিআরটিএ থেকে ঘুষের টাকার ভাগ পাওয়ার অভিযোগটিও কাল্পনিক।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও ভাষ্য যাচাই করে প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য। সঠিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয়দের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বাইরে প্রতিবেদকের মনগড়া কোনো বক্তব্য নেই।