‘মাদক র্নিমূলে নিরাময় কেন্দ্র নয়, শাস্তিমূলক কেন্দ্র প্রয়োজন’

দিনাজপুর-৫ আসনের সাংসদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অন্যতম প্রধান সমস্যা মাদক। মাদক ব্যবসা, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। সমস্যাটা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এ থেকে নিষ্কৃতি পেতে হলে মাদক কারবারিদের ক্রসফায়ারে দেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই। মাদক থেকে নিষ্কৃতি পেতে নিরাময় কেন্দ্র নয়, ইউনিয়নে ইউনিয়নে শািস্তমূলক কেন্দ্র প্রয়োজন।

গতকাল সোমবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২৯ ব্যাটালিয়নের আয়োজনে ২৯ এবং ৪২ ব্যাটালিয়নের মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংসদ আরও বলেন, চিহ্নিত অপরাধীদের ক্রসফায়ার নিয়ে যারা মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলেন তারা ১৫ আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সময় কোথায় ছিলেন? ’৭১ সালে ৩০ লাখ বাংলাদেশিকে হত্যার সময় কোথায় ছিলেন?

২৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. শরীফউল্লাহ আবেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক গাজী নাহিদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন, ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আবদুস সালাম চৌধুরী, র‌্যাব ১৩-এর দিনাজপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর সোহেল রানা, দিনাজপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রাজিউর রহমান, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লিমেন্ট রায়, ফুলবাড়ী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিষ বিন হাসান।

২৯ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল শরীফউল্লাহ আবেদ জানান, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির হাতে আটক ৪ কোটি ৯২ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।