ফকিরাপুলে আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ফকিরাপুলের রহমানিয়া আবাসিক হোটেলে মো. গিয়াস উদ্দিন (২০) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে লাশটা উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

স্বজনরা জানায়, গিয়াস উদ্দিন কাভার্ডভ্যানের চালকের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তার বাড়ি চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার শাহনগর এলাকায়। বাবা মৃত নুর ইসলাম। অবিবাহিত গিয়াস ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। থাকতেন চট্টগ্রামে। তাদের স্থায়ী বাড়ি ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা গ্রামে। পরিবহনের কাজে কাভার্ডভ্যান নিয়ে বিভিন্ন জেলায় জেলায় যাতায়াত করতেন তিনি।

বড় ভাই মো. সিদ্দিক বলেন, গতরাতে রাউজান থানা পুলিশের মাধ্যমে খবর পাই গিয়াস ঢাকার একটি আবাসিক হোটেলে মারা গেছে। পরে রাতেই ঢাকায় আসি। মতিঝিল থানার মাধ্যমে জানতে পারি লাশ ঢাকা মেডিকেলে রয়েছে। গিয়াস কবে কেন ঢাকায় এসেছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নুরে আলম জানান, গতরাতে রহমানিয়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজারের মাধ্যমে খবর পেয়ে হোটেলে গিয়ে ২য় তলার ২০৫ নম্বর রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পাই। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই তাকে।

এসআই বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

হোটেল বয় মফিজুল ইসলাম জানান, ১ ডিসেম্বর বিকেলে গিয়াস উদ্দিন হোটেলের ২০৫ নম্বর কক্ষটি ভাড়া নেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার রুমের দরজা বন্ধ দেখে তাকে ডাকা হয়। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খুললে দরজার উপরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায় সে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। হোটেলটিতে একাই উঠেছিলো সে।