লাল-সবুজে উশুর মর্জিনা

উশুর নান চুয়ান না দা অলরাউন্ড ইভেন্টে বাংলাদেশকে রৌপ্যপদক এনে দিয়েই আবেগ আক্রান্ত হয়ে গেছেন মর্জিনা আক্তার। লগনখেল আর্মি ফিটনেস সেন্টারে ১৯ বছরের কক্সবাজার সিটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী মর্জিনা ফাইনালে হেরে গেছেন নেপালের নিমা ঘারতি মাগারের কাছে। নিজের প্রদর্শনীর সময় খানিকটা ভারসাম্য হারিয়েই আসলে পিছিয়ে পড়েছিলেন মর্জিনা। তার সংগ্রহ ১৬.৩০ পয়েন্ট। নিমা ঘারতি স্বর্ণপদক জিতেছেন ১৮.৯১ পয়েন্ট নিয়ে। ক’দিন আগেই ব্যবাসায়ী বাবা মোহাম্মদ সুলতানকে হারান মর্জিনা। কাঁপা কণ্ঠে বলছিলেন, ‘আজ বাবা বেঁচে থাকলে সবচেয়ে খুশি হতেন।’ বাবাই ছিলেন তার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। পরিবারের অন্যদের বাধা সত্ত্বেও বাবাই ছোটবেলা তাকে ভর্তি করিয়ে দেন কক্সবাজারের একটি তায়কোয়ান্দো ক্লাবে, ‘আসলে আমি এই খেলাটা খেলি, সেটা বাবা ছাড়া পরিবারের আর কেউ রাজি ছিলেন না। বাবা আমাকে একদিন একটা মার্শাল আর্ট ক্লাবে ভর্তি করিয়ে দেন। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জেলা হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলি। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে সোনা জিতি। তারপর ঘরোয়া বেশ কয়েকটি আসরে খেলি। অনেক পদকও জিতেছি। কিন্তু আজকের এই সাফল্য সবার ওপরে। তাই আজ বাবার কথা খুব মনে পড়ছে।’ সন্ধ্যায় উশুতে আরেকটি রুপার পদক জয়ের খবর দিয়েছেন সজীব হোসেন। ছেলেদের ৫৬ কেজি সানদায় ইভেন্টে ভারতের উচিত শর্মার কাছে হেরে রুপা পান সজীব। পুরুষ দাও শু অলরাউন্ড ইভেন্টে রাশেদ হোসেন ও তাইজি-তাইজি জিয়ান অলরাউন্ড ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন দীপ্তি দাস।