বঙ্গবন্ধু বিপিএল-২০১৯

সহজেই জিতল কুমিল্লা

অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাটে ভর করে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়েছিল কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্সকে ছুড়ে দিয়েছিল ১৭৪ রানের লক্ষ্য। যে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বাধীন রংপুর রাইডার্স হার মানল সহজেই।

বুধবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে ১০৫ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা। টস জিতে দলটি ৭ উইকেটে ১৭৩ রানের পুঁজি গড়ে। শ্রীলঙ্কান তারকা শানাকা খেলেন ৩১ বলে ৭৫ রানের ইনিংস। জবাব দিতে নেমে ৬ ওভার বাকি থাকতেই ৬৮ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর। দলটির হয়ে জাকির হাসান অবশ্য ব্যাট করতে পারেননি।

ফ্লাড লাইটের আলোয় ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রংপুর শানাকার ব্যক্তিগত রানটাই (অপরাজিত ৭৫) করতে পারেনি। যদিও আফগান তারকা নবী ছাড়াও মোহাম্মাদ শাহজাদ ছিলেন। দেশিদের মধ্যে মোহাম্মদ নাঈম ছিলেন। কিন্তু আল-আমিন হোসেন, সৌম্য সরকারদের বোলিং নৈপুণ্যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে রংপুরের ইনিংস।

সর্বোচ্চ ১৭ রান এসেছে নাঈমের ব্যাট থেকে। ১৩ রান করেন শাহজাদ। নবীর ব্যাট থেকে আসে ১১। বাকিদের কেউই দুই অঙ্কের স্কোর করতে পারেননি। কুমিল্লার পক্ষে আল-আমিন সর্বাধিক ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সৌম্য সরকার ও সানজামুল ইসলাম।

এর আগে কুমিল্লার ইনিংসে শুধুই শানাকা বীরত্ব। তার ৩১ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৯ ছক্কা। ১৯তম ওভারে মোস্তাফিজকে মেরেছেন টানা চারটি ছক্কা। যার একটি তো ভিআইপি স্ট্যান্ডের ছাদে গিয়ে পড়ে!

১৭ ওভার শেষে কুমিল্লার রান ছিল ৬ উইকেটে ১০৮। শানাকা ঝড়ে শেষ তিন ওভারে ৬৫ রান যোগ করে কুমিল্লা। শানাকা ছাড়াও সৌম্য ২৬, ডেভিড মালান ২৫, সাব্বির রহমান করেন ১৯ রান।

সৌম্য এবং সাব্বির দুজনকেই ফিরিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। প্রথম তিন ওভার শেষে মোস্তাফিজের বোলিং স্পেল ছিল ৩-০-১২-২। কিন্তু শানাকার ওই তাণ্ডবে মোস্তাফিজ দিন শেষে ব্যর্থ বোলার। ইনিংস শেষে যার বোলিং স্পেল ৪-০-৩৭-২। রংপুরের পক্ষে মোস্তাফিজ ছাড়াও ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সঞ্জিত বিশ্বাস ও লুইস জিওর্জি। ম্যাচসেরা হয়েছেন শানাকা।