নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শুক্রবার মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার কাটাখালী গ্রামের একটি পুকুর থেকে মিশুক চালক মো. মান্নার (২২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বেলা ১১টার দিকে হাত-পায়ের রগকাটা অবস্থায় চালকের লাশ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা-পুলিশ।
মান্না উপজেলার দক্ষিণ ফুলদী গ্রামের মঞ্জু মাদবরের ছেলে।
এর আগে ৮ ডিসেম্বর বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে মিশুক নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হয় চালক মান্না। পরদিন তার মা খাদিজা বেগম গজারিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
গজারিয়া থানার ওসি হারুন-অর-রশীদ জানান, শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা কাটাখালী গ্রামের পুকুরে লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ মান্নার লাশ উদ্ধার করে। তার হাত ও পায়ের রগ কাটার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
মান্নার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
মান্নার মা খাদিজা বেগম জানান, প্রতিদিনের মতো ৮ ডিসেম্বর বিকেলে তার ছেলে মিশুক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে গজারিয়া বাজার থেকে গজারিয়া গ্রামের আমানুল ইসলামের ছেলে হিমু (২৫), গোসাইরচর গ্রামের স্বপনের ছেলে রাব্বী (২০) ও রঘুরচর গ্রামের হোসেন শাহের ছেলে সাইফুলকে (২১) নিয়ে জামালদী বাস স্ট্যান্ডে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এরপর রাতে তার ছেলে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
খাদিজার অভিযোগ, ওই তিন যাত্রীই তার ছেলেকে হত্যা করে পুকুরে লাশ ফেলে গেছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি পুলিশ।