ঠাকুরগাঁও সীমান্তে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা

প্রতি বছরের মতো এবারও ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার চাপাসা ও রানীশংকৈল উপজেলার কোচল সীমান্তের মাঝামাঝি কুলিক নদীর তীরে পাথরকালী মেলা উপলক্ষে হাজারো মানুষের সমাগমে মিলন মেলায় পরিণত হয় সীমান্ত এলাকা।

গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে এই মেলা। বাংলাদেশ ও ভারতীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছু সময় কথা বলার সুযোগ করে দেয় ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবি। দুই দেশে বসবাসরত আত্মীয়-স্বজনদের একনজর দেখার জন্য হাজারো মানুষ উপস্থিত হয়। নাড়ির টানে বা মায়ার বন্ধনে দুই বাংলার বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসে মানুষ।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিজের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পেরে একটু বুকে জড়িয়ে ধরার ইচ্ছা করলেও কাঁটাতারের বেড়ার কারণে তাদের সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। চোখের পানি ফেলে নিকটজনকে কাছে  পাওয়ার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন অনেকে। দীর্ঘদিন দূরে থাকা, দেখা না হওয়ায় অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। আবার প্রিয়জনের দেখা না পেয়ে অনেককে চোখের পানি  ফেলে বাড়ি ফিরে যেতে হয়।

দিনাজপুর জেলার দেবীগঞ্জ থেকে আসা গোলাম মাওলা জানান, বড় চাচা ভারতে থাকেন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে। তার সঙ্গে দেখা করতে সপরিবারে এসেছেন সীমান্ত পাড়ে।