কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিদগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক প্যাকেট কারখানায় অগ্নিদগ্ধ আরও একজন হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪।

মৃতের নাম মো. আসাদ (১৪)। শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তার মৃত্যু হয়।

ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সেখানে ৯ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আরও ৮ জন ভর্তি আছেন ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে। তাদের অবস্থা কিছুটা কম আশঙ্কাজনক।

বরগুনা সদর উপজেলার খাকবুনিয়া গ্রামের ভ্যানচালক আবুল কালামের ৪ সন্তানের মধ্যে তৃতীয় আসাদ। কেরানীগঞ্জের ওই কারখানার পাশেই একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি। ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হিসেবে চার বছর ধরে সেখানে কাজ করছিলেন।

গত বুধবার বিকেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলে আর আসাদসহ ১৩ জন হাসপাতালে মারা যান। এর আগে শুক্রবার রাতে ১০ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত আলম ও রাজ্জাকের ছোট ভাই মো. জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে কারখানা মালিক মো. নজরুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আগুন লাগার ঘটনার পর থেকেই কারখানা মালিক মো. নজরুল ইসলাম গা ঢাকা দিয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি ঘটনার পর থেকেই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে থানা-পুলিশ সূত্র জানায়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।