যশোরের চৌগাছার নিরপরাধ আব্দুল আজিজ অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন।
চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজিব শনিবার দেশ রূপান্তরকে জানান, দুইজনের নিজের ও পিতার একই নাম হওয়ায় ভুলটি হয়েছে। আমরা আসামি আজাদের আইনজীবীর সাথে কথা বলেছি। রবিবার আদালতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
আইনজীবী শাহিনুর রহমান শাহিন জানান, পুলিশ তার (আজিজ) সাথে ভুলের বিষয়ে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছে।
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার একটি ডাকাতি মামলায় গত ৯ ডিসেম্বর প্রকৃত আসামি আহাদ আলী কারিগরের ছেলে আব্দুল আজিজের পরিবর্তে আহাদ আলী দফাদারের ছেলে আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় চৌগাছা থানার এএসআই আজাদ।
প্রকৃত আসামি আজিজ ২০১২ সালের ৫ মার্চ এ মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন। বছর দেড়েক আগে তিনি কাতারে চলে যান। এরপর আদালতে গরহাজির থাকায় তার বিরুদ্ধে এ বছরের ৭ নভেম্বর আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
জজ আদালত অবকাশকালীন বন্ধ থাকায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আব্দুল আজিজকে কারাগারে পাঠিয়েছে। এরপর থেকে নিরপরাধ আব্দুল আজিজ কারাবাসে রয়েছেন।
চৌগাছা থানার এএসআই আজাদ বলেন, ওয়ারেন্ট এবং ওই ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তিনিই স্বীকার করেছেন তার নামে একটি মামলা ছিল যা তিনি মিটিয়ে ফেলেছেন।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার আব্দুল আজিজের পরিবার থেকেও জানানো হয়নি যে, সে মামলার আসামি না। তাহলে এখন একথা আসছে কেন? গ্রেপ্তার আব্দুল আজিজ যদি মামলার আসামি না হন তাহলে তাকে আদালতে প্রমাণ করতে হবে। নাম ঠিকানা মিল থাকার কারণে আমাদের কিছুই করার নেই।
তবে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর তৎপর হয় পুলিশ। এবং তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। সেই অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে জানান চৌগাছা থানার ওসি।