মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কবুতরের অভিনব দৌড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কামরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মাসুম আহমদ, আব্দুল আহাদ, ইউনুস আহমেদ, মোনায়েম খান মুন্না এই সাতজনের প্রায় অর্ধ শতাধিক কবুতর অংশ নেয়।
শনিবার সকালে বড়লেখা রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের আয়োজনে শহরতলির ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এই ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল থেকে ছাড়া হয়েছে।
আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ২১ নভেম্বর মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বিভিন্ন রাউন্ড শেষে ফাইনাল হয় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া মাঠ থেকে। বিচারকরা বড়লেখা থেকে বাক্সবন্দী করে কবুতরগুলোকে শ্রীমঙ্গলে নিয়ে আসেন। প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূর থেকে বাক্সবন্দী এসব কবুতর ছেড়ে দেওয়া হয় মুক্ত আকাশে। ছাড়া পেয়ে কবুতরগুলো রওনা দেয় বড়লেখার উদ্দেশ্যে। সেখানে তাদের মালিকরা অপেক্ষায় আছে কখন কবুতরগুলো ফিরবে। যাদের কবুতরগুলো আগে পৌঁছাবে তারা কবুতরের পায়ে থাকা গোপন নাম্বার বিচারকদের জানাবেন।
কবুতরের মালিকদের পাঠানো এসব গোপন নম্বর পর্যালোচনা করে জয়ী কবুতরকে পুরস্কার দেয়া হবে।
ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এই ফাইনাল রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পিজিয়ন অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মো. বদরুল ইসলাম, সভাপতি মো. জাবেদ আহমদ, উপদেষ্টা জাকির মোহাম্মদ। তারা তিনজন এই প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমেদ সবুজ, সাংগঠনিক আজহারুল ইসলাম অনিক প্রমুখ।
অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও এই প্রতিযোগিতার বিচারক মো. বদরুল ইসলাম বলেন, তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে মূলতো এই জন্যই এই প্রতিযোগিতায় আয়োজন। আমাদের এই প্রতিযোগিতা থেকে তরুণরা কবুতর পালনে উৎসাহিত হবে। এতে করে লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণরা কবুতর লালন-পালন করে সেগুলো বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও হতে পারেন। এসব কাজের সাথে মিশে থাকলে মাদক থেকে তারা দূরে থাকবে বলে আমরা মনে করি।