চিত্রা বাঁচাতে চিতলমারীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

চিত্রা নদীকে রক্ষা করতে বাগেরহাট জেলার চিতলমারীতে নদী তীরবর্তী ‘অবৈধ স্থাপনা’ সরানোর কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার উচ্ছেদ অভিযান উদ্বোধনের সময় কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকার ২০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এদিন সারা দেশেই এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় বাগেরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং চিতলমারী উপজেলা প্রশাসন তাদের যৌথ উদ্যোগে এই কার্যক্রম শুরু করল।

উচ্ছেদের সময় উপস্থিত ছিলেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফুল আলম, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদুজ্জামান খান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন, চিতলমারী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শেখ নিজাম উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফুল আলম বলেন, ‘সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিতলমারীতেও উচ্ছেদ অভিযান শুরু হল। এ অভিযান উপজেলার সব স্থানেই পর্যায়ক্রমে চলবে। কোনো অবৈধ স্থাপনা মানুষের সুবিধাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’

‘বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থেকে অভিযান শুরু হল,’ জানিয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে জেলার সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল, নদী-নালা, সরকারি জলাশয় তীরবর্তী খাস জায়গা উদ্ধার করা হবে।’

উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফ হোসেন জানান, আনুমানিক ১০ একর জায়গার ওপর অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এসব জায়গায় তৈরি করা ছোট-ছোট ঘরও উচ্ছেদ করা হবে।