সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার রাতে কলারোয়া থানার সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক যুবকেরা হলেন, কলারোয়া সদর উপজেলার যুগিবাড়ি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে শুভ হোসেন (২২) এবং কলারোয়া পৌরসভার ঝিকরা গ্রামের ডাক্তার আমানুল্লাহ আমানের ছেলে অভি (২৪)।
ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রী কলারোয়া পৌরসভার ঝিকরা গ্রামের বাসিন্দা ও কলারোয়া পাইলট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
রবিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, কলারোয়া পৌরসভার গদ খালি গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে গালিব (৩৫) ও কলারোয়া পৌর সদরের আলতাফ হোসেনের ছেলে আল আমিন (১৯)।
মামলার বিবরণীর বরাত দিয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুনীর উল গিয়াস জানান, গত ২০ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী কেনাকাটার জন্য কলারোয়া বাজারে আসে। পথিমধ্যে কলারোয়া সরকারি কলেজের সামনে পৌঁছালে গালিব ও আল আমিন জোর করে এক ধরনের তরল জাতীয় পানি পান করায়। এরপর থেকে তার শরীর ঝিমঝিম করতে থাকে। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর তার বমি-বমি ভাব হলে সে পান খাওয়ার জন্য স্থানীয় পানের দোকানে যায়। দোকান থেকে ফেরার পথে শুভ এবং অভি মোটরসাইকেলে করে তাকে জোরপূর্বক উঠিয়ে তেলকাড়ার বিলের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে শুভ তাকে ধর্ষণ করে খুন করতে উদ্যত হয়। কিন্তু অভি তাতে বাঁধা দিলে তারা তাকে মাহমুদপুর মান্দার তলা ব্রিজের সামনে একটি বাগানে ফেলে রেখে যায়। পরে ওই স্কুল ছাত্রীর মা ও আকাশ নামের এক যুবক তাকে উদ্ধার করে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুনীর উল গিয়াস বলেন, মামলার অপর দুই আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।