রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুব সমাজের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে একশনএইড বাংলাদেশ ও ধ্রুবতারা ইউথ ডেভেলপমেন্ট সংস্থা। গতকাল শনিবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ ও ধ্রুবতারা ইউথ ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত ‘রাজিনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকাঠামোতে যুব প্রতিনিধিত্ব : সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বৈঠকে এ দাবি জানান উপস্থিত বক্তারা।
বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজনৈতিক দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সে জন্য দক্ষ ও যোগ্য রাজনীতিবিদ একটি দেশের জন্য অতি জরুরি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের যুবারা দেশের উন্নয়নে ও যেকোনো সংকট মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। রাজনীতিতে ও নেতৃত্বে দক্ষ যুবশক্তি সম্পৃক্তকরণ নিশ্চিত করতে পারলে তা দেশের উন্নয়নকে আরও বেশি গতিশীল ও টেকসই করে তুলবে।’
আলোচনায় অংশ নিয়ে অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘যুবাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ সারা বিশ্বেই কম, বাংলাদেশে আরও কম। এর পেছনে রাজনৈতিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমাকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদে, সংসদে যুবাদের অংশগ্রহণ জরুরি এবং সে জন্য যুবাদেরই উদ্যমী হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি তারুণ্যের প্রগতিশীলতাকে সঠিকপথে পরিচালিত করতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে সুস্থ ছাত্ররাজনীতি নিশ্চিত করতে হবে।’
একশনএইড বাংলাদেশ-এর পরিচালক আসগর আলী সাবরি বলেন, ‘পরিবার ও সমাজ থেকে ভীতি ও অনুৎসাহিত করার ফলে তরুণরা রাজনীতিতে সরাসরি সম্পৃক্ত হন না। বড়দের থেকে ছোটদের দিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের চর্চাও জরুরি।