বেশি লাভের আশায় অসাধু পন্থায় ৪২ বস্তা (প্রায় ১ হাজার ৪শ কেজি) পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগের মামলায় মইন উদ্দিন নামে লক্ষ্মীপুরের এক ব্যবসায়ীকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট।
ওই ব্যবসায়ী করা জামিনের আবেদনটি মঙ্গলবার উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও বিচারপতি খোন্দকার দিলিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদালতে ব্যবসায়ী মইন উদ্দিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে সারা দেশে পেঁয়াজের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। একসময় তা প্রতি কেজি ৩শ টাকা দরেও বিক্রি হয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় পেঁয়াজ মজুত করে কৃত্রিম উপায়ে সংকটের সময় ফায়দা লুটতে চেয়েছিলেন।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, গত ১৪ ও ১৫ নভেম্বর লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ী মইন উদ্দিন তার গুদামে ৪২ বস্তা পেঁয়াজ মজুত করেন। এ অভিযোগে ১৬ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর ওই ব্যবসায়ী উচ্চ আদালতে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করলে হাইকোর্ট তাকে জামিন না দিয়ে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। এরপর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তার জামিনের আবেদন না-মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন এই পেঁয়াজ ব্যবসায়ী।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশ রূপান্তরকে বলেন, তিনি (মইন উদ্দিন) লক্ষ্মীপুরের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। মাত্র ৪২ বস্তা পেঁয়াজ তিনি মজুত করেছিলেন কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে নয়, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে। উচ্চ আদালতের অবকাশ শেষ হলে আবারও ওই ব্যবসায়ীর জামিনের আবেদন করা হবে।