মুজিববর্ষকে সেবাবর্ষ হিসেবে ঘোষণা করতে চাই : নসরুল

নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ দেওয়াই এই বছরের বড় কাজ বলে মন্তব্য করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘মুজিববর্ষকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেবাবর্ষ হিসেবে ঘোষণা করতে চাই। আর এজন্য কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হবে।’ গতকাল বুধবার সচিবালয়ে বছরের প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নতুন বছর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ  কম মূল্যে দ্রুত বিদ্যুৎ সেবা দেওয়া। এজন্য যেসব কাজ করতে হবে, তাও দ্রুত কীভাবে করা যায়, সে বিষয়টিও এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রাহকদের সেবা দিতে গেলে ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। আর এজন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে হবে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়ে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করছি আমরা। সেটি এই বছরও চলমান থাকবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছর দেশের শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি বছরের শেষে সবাই বিদ্যুৎ পাবে বলে আশা করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুতের পাশাপাশি জ্বালানি খাতেও নেওয়া হচ্ছে। বেশকিছু পদক্ষেপ। অফশোরের পাশাপাশি অনশোরেও গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এজন্য বাপেক্সের পাশাপাশি অন্য কোম্পানিগুলোকে দিয়েও কাজ করার চিন্তা করা হচ্ছে।’ প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘ভোলার গ্যাসকে আরও বেশি কাজে লাগানো। খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে গ্যাস দেওয়া, রংপুরে পাইপলাইন স্থাপনসহ বেশকিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছর থেকে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।’ তিনি বলেন, ‘আবাসিকে আর পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ দেব না। কিন্তু এলপিজি ব্যবহারে যেন সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হয়, সেজন্য মূল্যের বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ এ সময় তিনি মধ্যপাড়া পাথর খনির বিষয়ে বলেন, ‘আমরা নতুন করে কাজ শুরু করতে যাচ্ছি। নদীপথে পাথর আনা যাবে কি না, সে বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।’