সেঞ্চুরিয়নের মতো ভুল আর এবার জো রুট করেননি। নিউল্যান্ডসে টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়েছেন। এরপরও যে ইংল্যান্ড খুব স্বস্তিতে আছে তা বলা যাবে না। প্রথম দিন শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ২৬২ রান। চা বিরতির পর বেন স্টোকস আউট হন ৪৭ রানে। এই মাঠে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ১৯৮ বলে ২৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ৮ রানের মাথায় ওপেনার জাক ক্রাউলি মাত্র ৪ রানে আউট হন। এরপর ডোম সিবলে এবং জো ডেনলি দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভাঙেন কাগিসো রাবাদা। তিনি ৩৪ রান করা ডেনলিকে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের ক্যাচে পরিণত করেন। অন্য ইংলিশ ওপেনারও ধরা পড়েন ডি ককের হাতে। বোলার ছিলেন ভারনন ফিল্যান্ডার। অতি সতর্কভাবে শুরু করা ডেনলিও বেশিদূর যেতে পারেননি। ১৩০ বল খেলে মাত্র ৩৮ রান করার পর কেশব মহারাজের বলে বোল্ড হন তিনি। অধিনায়ক জো রুট দারুণভাবে শুরু করলেও ইনিংসটা বেশিদূর টানতে পারেননি। পাঁচ বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৫ রান করে তিনি আউট হন। তিনিও উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন এবং যথারীতি সেই ক্যাচ নিয়েছেন ডি কক। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬টি ক্যাচ নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এবারও কি সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছেন?
নিউল্যান্ডসের রেকর্ড ইংল্যান্ডের পক্ষে নয়। সেই ১৯৫৭ সাল থেকে এই মাঠে কোনো টেস্ট জেতেনি ইংলিশরা। শেষ দুটি টেস্টের একটি হেরেছে, অন্যটি ড্র। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে সেই ড্র টেস্টে বেন স্টোকস ২৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। আর দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটা সবচেয়ে পয়া মাঠ। এখানে শেষ ১৮ টেস্টে মাত্র একবার হেরেছে প্রোটিয়ারা। বিপরীতে জিতেছে ১৩ টেস্ট।
ইনজুরির কারণে জোফরা আর্চার এই টেস্টে খেলছেন না। তার পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে সমারসেটের ডানহাতি স্পিনার ডোম বেসকে। গত বছর লর্ডসে তার অভিষেক হয়েছিল। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলার পর আবার দলে ফিরলেন তিনি। ইংল্যান্ড গত দুই টেস্টে পাঁচ পেসার নিয়ে খেলেছিল। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে পাঁচ পেসার নিয়ে ড্র করতে পারলেও সেঞ্চুরিয়নে তাদের হারতে হয়। যে কারণে নিউল্যান্ডসে একজন স্পিনার নিয়ে দল সাজিয়েছে তারা। খেলছেন অভিজ্ঞ দুই পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড এবং জিমি অ্যান্ডারসন।