ফিলিস্তিনের গ্রুপে বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের আগের পাঁচ আসরের কোনোবারই শিরোপা জেতা হয়নি স্বাগতিক বাংলাদেশের। সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৫ সালে রানার্স-আপ। পরের দুটি আসরেই বিদায় নিতে হয় সেমিফাইনাল থেকে। তাই এবার ধনুভাঙা পণ স্বাগতিকদের। এই আসর দিয়েই শুরু হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন। তাই আসরটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে নিচের সারির কয়েকট দলকে আনা হচ্ছে। সবচেয়ে শক্তিশালী দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ফিলিস্তিন, র‌্যাংকিংয়ে যাদের অবস্থান ১০৬-এ। তাদের সঙ্গে এক গ্রুপে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে অপর দল শ্রীলঙ্কা (২০৫)। ‘বি’ গ্রুপটি গড়া হয়েছে বুরুন্ডি (১৫১), মরিশাস (১৭২) এবং সিশেলস (২০০)-কে নিয়ে।

বিশ্ব ফুটবলে এই নামগুলো খুব বেশি পরিচিত নয়। বিশেষ করে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সিশেলস। আয়োজক বাফুফের যুক্তি, ফিফা-এএফসি’র ব্যস্ততার কারণে এখন দল পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছিল তাদের। আগের দিন পর্যন্ত তাদের সিদ্ধান্ত ছিল পাঁচ দল নিয়ে রাউন্ড রবিন লিগ ভিত্তিতে হবে এই আসর। কিন্তু কাল সকালেই বুরুন্ডি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে পুরনো ফরম্যাটে ফিরে যায় বাফুফে। ‘এ’ গ্রুপে ফিলিস্তিন ফেভারিট হলেও ১৮৭তম স্থানে থাকা বাংলাদেশ ২০৫তম অবস্থানে থাকা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছে। তাই তো, গতকাল ড্র অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পট-এ থাকা বাংলাদেশ ও মরিশাসের মধ্যে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি যখন প্রথমে বাংলাদেশের নাম তুললেন তখন সবাই হাফ ছেড়ে বাঁচলেন।

জমকালো ড্র অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মনে করেন এই আসরের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী মুজিববর্ষ উদযাপনের একটি দুর্দান্ত সূচনা হবে। বিশেষ অতিথি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন জানান, ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কাপটিকে সার্থক করতে তাদের থাকবে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। এ বছর শেষভাগে আরেকটি বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ আয়োজনের কথাও জানান তিনি। এছাড়া বিদেশি দু’টি নামি দেশ অথবা দল এনে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের কথা বলেন সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি এবং বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী।