তবুও ইরাক থেকে ‘সরছে না’ যুক্তরাষ্ট্র

ইরাকি এমপিরা তাদের দেশ থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নিতে সংসদে প্রস্তাবনা পাস করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ সেটি করতে নারাজ।

আমেরিকার এক জেনারেলের একটি চিঠিতে এর ভেতর আবার খবর চাউর হয় ইরাক থেকে চলে যাচ্ছে তাদের সেনারা। কিন্তু দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপার জানিয়েছেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ইরাকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর টাস্কফোর্সের প্রধান জেনারেল উইলিয়াম এইচ সেলি ওই চিঠিতে লিখেছেন, ইরাকি এমপিরা মার্কিন সেনাদের দেশ ছাড়তে বলার পর কয়েক সপ্তাহের ভেতর সেনাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।

কিন্তু এসপার বলছেন, যা কিছু হোক না কেন ইরাক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

বাহিনীর অন্য সিনিয়র কর্মকর্তারা বলছেন, চিঠিটি আসলে ভুল করে এসেছে। অস্বস্তিকর শব্দে লেখা ওই চিঠিতে কেউ স্বাক্ষর করেনি; এমনকি প্রকাশও করা হয়নি।

ইরাকে আমেরিকার অবস্থান নিয়ে আরেকবার প্রশ্ন উঠেছে শুক্রবার থেকে। এদিন ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর অঞ্চলটিতে বেজেছে যুদ্ধের দামামা।

সোলেইমানিকে হত্যার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ‘কঠিন প্রতিশোধ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরাকি মিলিশিয়া সংগঠনগুলোও।