সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ২০ দিনে দুই ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে গত বিশ দিনে অন্তত দুই ছাত্রী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার দুপুরে এক কলেজছাত্রী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। তিনি (১৯) বাদী হয়ে বুধবার হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক জিয়া উদ্দিন মাহমুদ মামলাটি চুনারুঘাট থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাতাসর গ্রামের আসামি শামীম আহমেদ মামুনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ভ্রমণ করার কথা বলে আসামি শামীম কৌশলে বাদীকে কলেজ থেকে জাতীয় উদ্যানের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে অবস্থানরত অন্যান্য আসামিরা তাকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক জাতীয় উদ্যানের গহিন অরণ্যে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে আসামি শামীম এবং পরে তার সঙ্গী ফজলুর রহমান (২৪), আলী হোসেন (২৫), জুনেদ লতিফ (২৭) তাকে ধর্ষণ করে।

মামলার বিবরণে আরো বলা হয়, এ সময় সিএনজি অটোরিকশা চালক আসামি আক্কাছ আলী পাহারায় ছিল। ধর্ষণের কারণে বাদী মারাত্মক আহত হন। আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর বাদী লোকালয়ে এসে চিৎকার করলে সাক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ নিয়ে আসলে তিনি আত্মীয়-স্বজনকে ঘটনা জানান। 

১১ ডিসেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়।

চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নামুল হক বলেন, আগের ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলাা হয়, তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

তিনি জানান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ভ্রাম্যমাণ টিম আছে। আমরা অপ্রীতিকর কিছু দেখলে ব্যবস্থা নিই।