মানুষের উচিত তাপসকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা: আমু

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ফজলে নূর তাপসকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেন, ঢাকা-১০ আসনের নাগরিকরা ফজলে নূর তাপসের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ফজলে নূর তাপস একটি আসন থেকে ঢাকার শহরের তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তার বিরুদ্ধে কিছু বলার নেই। বরং ধানমন্ডি-হাজারীবাগ এলাকার লোকেরা নিজ উদ্যোগে নাগরিক কমিটির করে তার সুনাম, খ্যাতি প্রচার করছে। দলমত নির্বিশেষে ধানমন্ডিবাসী তাপসের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণ করছে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘তাপস উন্নত ঢাকা চান, ঢাকার ঐতিহ্য আবার পুনরুদ্ধার করতে চান, ঢাকাবাসীকে নাগরিক সুবিধা প্রদান করতে চান, ঢাকাকে দুর্নীতি, মাদকমুক্ত করতে চান। এই সমস্ত প্রতিশ্রুতি তার কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে। মানুষ যেটা চায়, সেটা তাপসের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। মানুষের উচিত তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা’।

বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের সমর্থনে প্রতিনিধি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মহিলা শ্রমিক লীগ এ সভায় আয়োজন করে।

মহিলা শ্রমিক লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ করে আমির হোসেন আমু বলেন,  ‘মাতৃজাতিকে সম্মান দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আগে বাবার নাম লেখা হতো, এখন বাবার নামের পাশে মায়ের নামও লেখা হয়। নারী জাতিকে এই সম্মান শেখ হাসিনা দিয়েছেন। শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অর্জনের কথা ঘরে ঘরে গিয়ে  মা-বোনদের বোঝাবেন। যাতে তারা নৌকা মার্কায় ভোট দেন’।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আমি হোসেন আমু বলেন, সিটি নির্বাচনে বিএনপি ইতিমধ্যে তাদের পরাজয় বরণ করে নিয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে ভোটে তাদের জয়লাভের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই তারা প্রতিদিন একেকটা অছিলা দাঁড় করছে। কোনো সময় বলে ইভিএমে সঠিক ভোট হবে না, কোনো সময় বলে আওয়ামী লীগ আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, আবার কখনো বলে নির্বাচনে কারচুপি হবে।

তিনি বলেন, এসব কথাবার্তা বলার মধ্য দিয়ে এটা বোঝা যাচ্ছে তারা ভীত, তারা নির্বাচনে পরাজিত হবে, জানতে পেরে, বুঝতে পেরে অগ্রিম পথ খুঁজছে বেরিয়ে যাওয়ার।

তিনি বলেন, ‘অগ্রিম মানুষের সামনে তাদের সম্মান রক্ষার জন্য এ সব কথাবার্তা বলছে। যাতে গতবারের মতো তারা উইথড্র করে যেতে পারে, সেই পথ খুঁজছে। আমরা তাদের অনুরোধ করব, এ সমস্ত কথাবার্তা না বলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নেমেছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। সঠিকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। এটাই আমার চাই। আপনারা ধৈর্য ধরে নির্বাচনটা করুন, দেখুন আপনাদের ফলাফলটা কী আসে’।

মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সুরাইয়া আক্তারের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ,  মহিলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রহিমা আক্তার সাথী প্রমুখ।