মধুর ক্যানটিনে ছাত্রদলের দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ছাত্রদলের দুই পক্ষে  পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান রাকিব, সদস্যসচিব আমানুল্লাহ আমানসহ কয়েকজন লাঞ্ছিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ছাত্রদলের নবগঠিত বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব তাদের অনুসারীদের নিয়ে মধুর ক্যানটিনের দিকে আসতে থাকেন। তাদের 'ভুয়া' উল্লেখ করে সদ্য বহিষ্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মুমিনুল ইসলাম জিসানসহ কয়েকজন তাদের মধুর ক্যানটিনে প্রবেশে বাধা দেয়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জিসান ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিব ও সদস্যসচিব আমানকে ধাক্কা দিলে শুরু হয় হাতাহাতি। পরে রাকিবের অনুসারীরা জিসানসহ অন্যদের ধাওয়া দিয়ে মধুর ক্যানটিন এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়।

তবে এই ঘটনাকে নিজেরদের ভুল বোঝাবুঝি উল্লেখ করে সদস্যসচিব আমানুল্লাহ আমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ধাওয়া বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। জিসানের সঙ্গে একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে নিজেদের মধ্যে কথা বলে সব ঠিক করে নিয়েছি।

বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মুমিনুল ইসলাম জিসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ছাত্রদলের বর্তমান কমিটি ছাত্রলীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলে। আমরা যারা আসল ছাত্রদল করি তারা এ কমিটি মানি না। তার অংশ হিসাবে আজ তাদের মধুর ক্যানটিনে আমার নেতৃত্বে বাধা দিতে যাই। এ সময় তারা আমাদের কয়েকজনকে তারা মারধর করে।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ আমাকে জানিয়েছেন মধুর ক্যানটিনে মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। কমিটি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত যুগ্ন-আহবায়ক জিসান কয়েকজন বহিরাগত নিয়ে মধুর ক্যানটিনে এসে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে। পরে তাকে বুঝিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বাইরে পাঠানো হয়।