বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিবিপিএল) অবশেষে দেশিদের মধ্যে সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন কেউ। শনিবার যে কীর্তি গড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
ঢাকা প্লাটুনের দেওয়া ২০৬ রান তাড়া করতে নেমে খুলনার ২১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি তুলে নেন। তার অপরাজিত ১১৫ রানের ইনিংসে ভর করে ঢাকাকে ৮ উইকেটে হারায় খুলনা। প্রথম দল হিসেবে বিপিএলে দু শ রান তাড়ার ইতিহাসও গড়ল দলটি।
সেই সঙ্গে শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করল খুলনা। ঢাকার লিগ পর্ব শেষ হলো চারে থেকে।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ঢাকা প্লাটুনের হয়ে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি মুমিনুল হক। থামেন ৯১ রানে। তবে মুমিনুল ও মেহেদী হাসানের ব্যাটে ভর করে রানের বিশাল পাহাড় গড়ে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল। নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২০৫ রান করে দলটি। মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৬৮ রান।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শান্তর ব্যাট হয়ে ওঠে অশান্ত। টি-টোয়েন্টি যার আগের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস ছিল ছিল অপরাজিত ৫৪, সেই তিনিই এবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন বিপিএলের মঞ্চে। শান্তর সেঞ্চুরি তাই তার নিজের জন্যও প্রথম।
৫১ বলে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূরণ করেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত তার ৫৭ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৭ ছক্কা।
আগের দিন খুব কাছে গিয়েও সেঞ্চুরির দেখা পাননি মুশফিকুর রহিম। এবারের আসরে দুই-দুটি নব্বই ঊর্ধ্ব রান তার। এদিন মুমিনুলও আক্ষেপে পুড়লেন। দেশিদের সেঞ্চুরি দেখা তাই হচ্ছিল না। অবশেষে শান্ত সেই অপেক্ষা ফুরালেন।
এর আগে এবারের আসরে দুটি সেঞ্চুরি দেখেছে দর্শক। দুটিই ছিল বিদেশিদের ব্যাটে। প্রথম সেঞ্চুরিটি করেন সিলেট থান্ডারের আন্দ্রে ফ্লেচার (১০৩*)। দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি আসে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ডেভিড মালানের ব্যাট থেকে।
বিপিএলের সব আসর মিলে শান্ত দেশিদের মধ্যে পঞ্চম সেঞ্চুরিয়ান। এর আগে সেঞ্চুরি করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস, মোহাম্মদ আশরাফুল, সাব্বির রহমান ও তামিম ইকবাল।