সুনামগঞ্জে শিশু তোফাজ্জল হত্যায় ২ চাচা ফুপুসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার নৃশংসভাবে মাদ্রাসার ছাত্র শিশু তোফাজ্জল (৭) হত্যার ঘটনায় তার বাবা জুবায়ের হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গত শনিবার রাতে তাহিরপুর থানার অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে তিনি হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক তোফাজ্জলের চাচা, ফুপুসহ সাতজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তারা হলেন উপজেলার বাঁশতলা গ্রামের নিহত তোফাজ্জলের চাচা সালমান হোসেন (২৫) ও লোকমান হোসেন (২১), ফুপু শিউলী আক্তার (১৯), প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান হবি, তার ছেলে সারোয়ার আজাদ রাসেল (২১) ও একই গ্রামের কালা মিয়া (৬০) ও তার ছেলে সেজাউল কবির (২৮)।

রবিবার দুপুর আড়াইটায় সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহিরপুর আদালতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের নেওয়া হলে আদালত আজ সোমবার রিমান্ড শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করে আসামিদের জেলহাজতে পাঠায়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে তোফাজ্জল ঘর থেকে খেলতে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে লিখিতভাবে জানানো হয়। শনিবার ভোর ৫টার দিকে প্রতিবেশী হাবিবুর রহমানের বাড়ির পেছন থেকে তোফাজ্জলের ডান চোখ উপড়ে ফেলা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

লাশ উদ্ধারের পর গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। শনিবার রাতে তোফাজ্জলের বাবা মামলা করলে পুলিশ ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখায়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তোফাজ্জলকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী বলছে, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।