‘টিকিট পাওয়া যায় না কিন্তু ট্রেনে সিট খালি থাকছে’

রেলের অনিয়ম, দুর্নীতি, কালোবাজারে টিকিট কেনাবেচা বন্ধে সুশাসন দরকার বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে সব ধরনের অনিয়ম বন্ধ হবে।’ গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে প্রশ্নের জবাব দেন কৃষিমন্ত্রী। ড. রাজ্জাক বলেন, ‘টিকিট কাটতে গেলে টিকিট পাওয়া যায় না, কিন্তু দেখা যাচ্ছে ট্রেনে সিট খালি থাকছে।’

রেলওয়ের অব্যবহৃত ভূমি খাস খতিয়ানে এনে তা ভূমিহীনদের মধ্যে বরাদ্দ দিতে বিএনপির হারুনুর রশীদের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক। হারুনুর রশীদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি সুন্দর প্রস্তাব। আমি নিজেও এ বিষয়টি ভেবেছি। আমি এটা মন্ত্রিসভায় তুলব।’

বিএনপির সাংসদকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করলেন। এবারও নির্বাচনের পর সংসদে আসা নিয়ে অনেক কিছু দেখলাম। আপনারা সংসদে এসে এ ধরনের ভালো প্রস্তাব দিলে জাতিও উপকৃত হতো। আপনাদেরও জনপ্রিয়তা বাড়ত।’

জামালপুর-৫ আসনের মো. মোজাফ্ফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘১৯৭২ সালে রেলওয়ের ভূমি ছিল ৬০ হাজার ৪০৫ দশমিক ৮৫ একর। বর্তমানে ভূমির পরিমাণ ৬১ হাজার ৮২০ দশমিক ৩৫ একর। রেলওয়ের ৫৮ হাজার ৬০৬০ দশমিক ৫৭ একর ভূমি দখলে রয়েছে। ভূমি লিজ দিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৫৯ কোটি ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯০ টাকা আয় হয়েছে।’ মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন সংস্থা ও লিজ গ্রহণকারীর কাছে রেলের বকেয়া ১২৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৬ টাকা।