ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী এক বছরের বেশি মেয়াদে দ-িত হলে তাৎক্ষণিক চাকরি থেকে বরখাস্ত হবেনÑ সরকারি চাকরি আইনের এমন ধারা (৪২ ধারা) বাতিল চেয়ে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ গতকাল বৃহস্পতিবার এ নোটিস পাঠান। রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইন সচিবসহ সাতজনের উদ্দেশে এ নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিসে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইনের ৪২ ধারাটি সংবিধান ও সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী। নোটিসপ্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে জানান মনজিল মোরসেদ।
দেশ রূপান্তরকে তনি বলেন, ‘আদালত অবমাননার প্রচলিত আইন ও সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আদালতের আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের সাজার বিধান রয়েছে। এর আগের আইনে কোনো সরকারি চাকরিজীবীর ছয় মাসের সাজা হলে চাকরি থেকে তিনি বরখাস্ত হতেন। এ কারণে আদালতের রায় বাস্তবায়নে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাধ্য থাকতেন এবং আদালতের আদেশ মান্য করতেন। কিন্তু বর্তমান আইনে এক বছরের বেশি সাজা না হলে সরকারি কর্মকর্তারা চাকরি হারাবেন না। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে, আদালত অবমাননার সাজা হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীকে চাকরি হারাতে হবে না। এর ফলে আদালতের আদেশ ও নির্দেশ উপেক্ষার অপসুযোগ থাকবে।’