মিয়ানমার উপকূলে নিখোঁজ ফিশিং বোটসহ ৩৩ জেলেকে হস্তান্তর

উপকূল থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশি দুটি ফিশিং বোট ও ৩৩ মাঝিমাল্লাসহ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে মিয়ানমার।

রবিবার সকালে সেন্টমার্টিনের কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কাছে বোটসহ জেলেদের হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে সিটুওয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট অফিস। এর আগে রাখাইন উপকূল থেকে শনিবার তাদের উদ্ধার করে মিয়ানমার নৌবাহিনী।

বাংলাদেশ দূতাবাস মিশন একদিনের মধ্যে ৩৩ জন জেলেদের উদ্ধার ও দ্রুত ফেরত কার্যক্রম অভিযান বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

জানা যায়, ২০ জন মাঝিমাল্লাসহ বাকুলিয়া -১ এবং ১৩ মাঝিমাল্লাসহ এফবি সাজ্জাদ -১ নামে দুটি ফিশিং গত ২১ জানুয়ারি ইঞ্জিনের ত্রুটি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দিক হারিয়ে মিয়ানমারের রাখাইন উপকূলে ভেসে গিয়েছিল। বোট দুটি রাখাইন রাজ্যের সীতাপুরিক্কা প্যাচের অদূরে চরে আটকা পড়েছিল। মিয়ানমারের একটি মালামাল বহনকারী ট্রলার আটকে পড়া বোট দুটি দেখতে পেয়ে খবর দিলে দেশটির নৌবাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে।

ইয়াঙ্গুনে বাংলাদেশ মিশন ও সিটুওয়ে কনস্যুলেটে কর্মরতদের আন্তরিক তৎপরতায় এক দিনের মধ্যে ৩৩ মাঝিমাল্লাসহ বোট দুটিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। জেলেদের উদ্ধার করে দ্রুত তাদের ফেরত পাঠানোতে নিখোঁজ জেলে ও বোটের মালিকের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমানার সেন্টমার্টিনের কাছে জিরো লাইনে মিয়ানমার নৌবাহিনীর কাছ থেকে মাঝিমাল্লাসহ বোট দুটি বুঝে নেন। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে জেলে ও বোট মালিকের জিম্মায় ফেরত প্রদানের কথা রয়েছে।